সাফল্যের অ আ ক খ

সর্বশেষ কবে বাংলাদেশে এসেছ?
সাবিরুল ইসলাম:
আমার জন্ম লন্ডনে ১৯৯০ সালে। ২০ বছর আগে আমি বাংলাদেশে যখন প্রথম এসেছিলাম, তখন আমার বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। আমি সিলেটে আমার গ্রামের বাড়ি বিশ্বনাথে গিয়েছিলাম। সে সময়ের একটা স্মৃতিই আমার মনে আছে, আমাদের একটা গরু ছিল, যেটাকে আমি নিজ হাতে খাওয়াতাম!

২০ বছর অনেক লম্বা সময় এবং এত দিন পর দেশে ফিরে আসাটা আমার জন্য খুবই আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও আবেগের। আশা করি, এর পর থেকে আমি নিয়মিতই বাংলাদেশে আসব এবং বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ছড়িয়ে দিতে পারব।

বাংলাদেশে কাজ করার ইচ্ছা হলো কেন?

সাবিরুল: আসলে যেসব মানুষের সঙ্গে নিজের শিকড়ের সম্পর্ক আছে, তাদের জীবনে পরিবর্তন আনার মতো আনন্দময় কাজ আর কিছু নেই। আমি কয়েক বছরে ২৬টি দেশে ৬১-বার ভ্রমণ করেছি। কিন্তু নিজের দেশে ফিরে স্বজাতিকে সাহায্য করা আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া।

আমার স্বপ্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ, আত্মোন্নয়ন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচিতি, নেতৃত্ব গুণ ও ক্যারিয়ার বিষয়ে আমার লেখা বইগুলো ও বক্তৃতার মাধ্যমে মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা। আমি বাংলাদেশের জন্য এর সবকিছুই উন্মুক্ত করে দিতে চাই। আমি চাই, এ দেশের তরুণেরা এগিয়ে যাক এবং যেসব স্বপ্ন তারা দেখেছে, তা পূর্ণতা পাক।

এত কম বয়সে তোমার বিশ্বজোড়া খ্যাতি। এই তারকা ইমেজ তোমার কেমন লাগে?

সাবিরুল: আমি অনেককেই দেখেছি খ্যাতি, অর্থ ও সাফল্য তাঁদের অহংকারী করে তুলেছে। কিন্তু আমি সব সময় মাটিতেই পা রাখতে চাই। আমার জীবনধারা আমাকে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের সঙ্গে মিশতে সাহায্য করেছে। আমি চাই, জীবনে চলার পথে যতটা পারি বেশিসংখ্যক মানুষকে সাহায্য করতে। কোনো মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারার মতো আত্মতৃপ্তি আর কোনো কাজে নেই। কোনো অর্থ, খ্যাতি কিংবা সাফল্য দিয়ে কেউ এই তৃপ্তি কিনতে পারবে না।

কিছু কিছু জায়গায় তারকাখ্যাতি অবশ্য ভালোই লাগে। কয়েক বছরে আমি অনেক বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছি! কিন্তু আমার বাবা-মা এখনো তাঁদের পছন্দের পাত্রীকে খুঁজে পাননি।

সাফল্যের জন্য সব সময় প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয়। এ থেকে উত্তরণের পথ কী?

সাবিরুল: আমরা এমন একটা জগতে বাস করি, যেখানে মানুষ তুলনা ও প্রতিযোগিতা করতে পছন্দ করে। কিন্তু আমাদের উচিত এই অভ্যাস ত্যাগ করা এবং মানুষকে সাহায্য করা, তাদের সহযোগী হওয়ার গুণাবলি অর্জন করা।

আমি যত দূর জেনেছি, বাংলাদেশি সংস্কৃতিও এই ভুল প্রতিযোগিতার শিকার। এখানে একজন সাধারণ মানুষ অন্যের সাফল্য সহ্য করতে পারেন না। কিন্তু কেন এটা হবে? আমাদের এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ, এই অভ্যাস মানুষকে পেছনে টেনে ধরে, নিজের সম্ভাবনার দিকে নজর না দিয়ে অন্যের বিচার করতে ব্যস্ত রাখে।

তোমার কাছে তবে সাফল্যের মূল মন্ত্রটা কী?

সাবিরুল: সাফল্যের সংজ্ঞাটা একেক মানুষের কাছে একেক রকম। সাফল্যের ক্ষেত্রে আমি ৭ P-এর  ধারণায় বিশ্বাসী। এই ৭ P সেই ১৪ বছর বয়স থেকেই আমাকে সাহায্য করছে, যখন আমি প্রথম আমার ব্যবসা চালু করেছিলাম—

১. Positivity—ইতিবাচক মনোভাব: যেকোনো পরিস্থিতিতে ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় দাও। ২. Passion—ভালো লাগা: অন্য কারও মতো নয়, নিজের ভালো লাগার কাজটি করো। ৩. Perseverance—কঠোর অধ্যবসায়: কঠোর পরিশ্রম করো এবং কাজের ক্ষেত্রে ১১০ ভাগ মনোযোগ দাও। ৪. Persistence—লেগে থাকা: কঠোর পরিশ্রম করে দিনের কাজ দিনেই শেষ করো। ধারাবাহিকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৫. Purpose—উদ্দেশ্য: জীবনের একটা উদ্দেশ্য খুঁজে বের করো এবং বিশ্বাস করো যে তুমি ব্যতিক্রমী কিছু করতে সক্ষম। ৬. Patience—ধৈর্য: সাফল্য ধরা দিতে সময় নেয়। কখনো তাড়াহুড়ো কোরো না এবং নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চেষ্টা করো। কারণ, এটাই হয়ে উঠবে তোমার জন্য সাফল্যের গল্প। ৭. People—মানুষ: মানুষকে সব সময় বিশ্বাস করো। তুমি যা-ই অর্জন করতে চাও, তোমার চারপাশে এমন কেউ না কেউ আছেন, যিনি তোমাকে সেটা অর্জনে সাহায্য করতে পারেন!

সফল উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে যে পাঁচটি বিষয় মানতে হবে।

সাবিরুল: আসলে উদ্যোক্তা হওয়ার আগে বা যেকোনো ক্যারিয়ার বেছে নেওয়ার আগেই মানুষকে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রথমত, নিজেকে জানাটা খুবই জরুরি। পাঁচটি ধাপে এটা করা সম্ভব—আত্মবিশ্বাস: নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বাসী থাকা এবং এই মনোভাব ধরে রাখা যে আমি পারব। আত্মনিবেদন: প্রতিদিন সকালে হাসিমুখে ঘুম থেকে ওঠা এবং আনন্দের সঙ্গে প্রতিটি কাজ করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দূরদৃষ্টি: নিজের পথচলা নিয়ে দূরদৃষ্টি থাকতে হবে। ১০ বছর পর একজন নিজেকে কোথায় দেখতে চান, তার উচিত সেভাবে কাজ করা। সাহায্য: নেটওয়ার্কিং খুবই দরকারি। শুধু দেশের মানুষের সঙ্গেই নয়, সারা পৃথিবীর মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। সাহায্য চাইতে ভয় পাওয়াটা অনেক মানুষের স্বপ্নকে থমকে দিয়েছে। আমি সবাইকে বলি, তোমার জন্য সাহায্য আছে, শুধু তুমি সঠিক জায়গায় গিয়ে সেটাকে খুঁজে নাও। সহজ কর্মপরিকল্পনা: প্রতিদিনই তোমার কোনো পরিকল্পনা থাকতে হবে এবং সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে। তুমি যেভাবে নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করবে, সেভাবেই কর্মপরিকল্পনা ঠিক করবে।

বাংলাদেশি তরুণদের সফলতার জন্য তুমি কি কিছু বলতে চাও?

সাবিরুল: সমাজ সবাইকেই নির্দিষ্ট কিছু গণ্ডিতে আটকে রাখতে চায়। কিন্তু তোমাকে নিজের পরিচয় নিজেকেই গড়ে নিতে হবে এবং এটা নিশ্চিত করতে হবে যে সমাজ তোমাকে আলাদাভাবে চেনে। আমি বিশ্বাস করি, সব বাংলাদেশি তরুণেরই সেই যোগ্যতা আছে, যাতে করে তাঁরা নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু প্রায়ই, আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতি আমাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

আমি মনে করি, সবারই প্রচলিত রীতিনীতি ও ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করার অধিকার আছে। পৃথিবী আজ তীব্র বেগে ছুটছে। বাংলাদেশ যদি সাংস্কৃতিক বাধাগুলো অতিক্রম করতে না পারে, তবে এ দেশের তরুণেরা পিছিয়ে পড়বে।

অনেকেরই ধারণা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছাড়া কেউ সাফল্য অর্জন করতে পারবে না। আসলে ডিগ্রি অর্জন করাটা জীবনের একটা দিক, কিন্তু এটাই জীবন নয়। অনেক সময় বাবা-মা জোর করে তাঁদের সন্তানকে তাঁদের পছন্দের পথ বেছে নিতে বাধ্য করেন, যেটাতে সন্তানের কোনো আগ্রহই নেই। কিন্তু এটা হওয়া উচিত নয়। বাবা-মা সন্তানকে পথ দেখাতে পারেন, তাদের সহায়তা করতে পারেন কিন্তু সন্তানের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না।

অবশেষে, তুমি যখন আত্ম-উন্নয়ন ও আত্মপরিচয়ের দেখা পাবে, তুমি বুঝতে পারবে, তুমি কী হতে চাও। এরপর তুমি ক্যারিয়ার বেছে নিতে পারো। আসলে ব্যবসার ক্ষেত্রে শুরুতেই একটা ‘প্রয়োজন’ খুঁজে বের করতে হবে।

বাংলাদেশে অনেক সমস্যা আছে। তাই এ দেশের তরুণদের উচিত সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা দিয়ে সেসব সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা।  মনে রাখতে হবে, টাকাই ক্ষমতা নয়, আসল ক্ষমতা হচ্ছে জনমানুষের সমর্থন।

তোমার এই যে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি, সবাই তোমাকে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে মনে করে, কিন্তু তোমার অনুপ্রেরণা কে?
সাবিরুল: আমার পরিবার! লন্ডনে বেড়ে উঠতে আমাদের অনেক কষ্টকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে, কিন্তু এই অভিজ্ঞতাগুলোই আজকের আমাকে তৈরি করেছে। প্রতিদিনই আমি নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করি, আমি আমার পরিবারকে কখনো সেই কষ্টের সম্মুখীন হতে দেব না। এই প্রতিজ্ঞাই আমাকে সামনে পথ চলতে এবং লক্ষ্য অর্জন করতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
তুমি যদি সেই‘প্রোডাকশন ডাইরেক্টর’-এর চাকরিটা না খোয়াতে, তাহলে কী করতে?
সাবিরুল: আমি কখনো জীবনে পেছনে ফিরে তাকাতে চাই না, ‘যদি আর যদি’ নিয়ে আমি ভাবতে চাই না। জীবনটা আসলে পেছনে ফিরে তাকানোর জন্য নয়। আমি সবাইকে যেটা বলতে চাই, বাংলাদেশ সামনে চলতে শুরু করেছে, এখন আমাদের উচিত, আমাদের চোখকে সামনে প্রসারিত করা এবং সম্ভবপর সবকিছু দেখতে শেখা।
তরুণদের অনুপ্রেরণামূলক নতুন কোনো বই লেখার পরিকল্পনা রয়েছে কি?
সাবিরুল: অবশ্যই। ‘ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়ন’ আন্দোলন নিয়ে আমার পথচলা সম্পর্কে আমি একটা বই লিখতে চাই। চলার পথে আমি যেসব প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি এবং যেভাবে আমি সেগুলোকে সামাল দিয়েছি, সেসব আমি মানুষকে জানাতে চাই। এক মিলিয়ন মানে ১০ লাখ মানুষের কাছে আমার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পর আমি বইটির কাজ শুরু করব। বর্তমানে আমি ২৬টি দেশে আট লাখ ৮৫ হাজার ৪৩২ মানুষের কাছে আমার বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছি।

বাংলাদেশের তরুণদের নিয়ে তোমার কি আলাদা কোনো ভাবনা আছে?

সাবিরুল: বাংলাদেশের সব তরুণকে আমি বলতে চাই, তোমরা প্রত্যেকেই নিজেদের ভালোবাসার কাজটি বেছে নাও, অন্য কারও স্বপ্নপূরণ করতে গিয়ে নিজের জীবনটা নষ্ট কোরো না। যেকোনো কাজের প্রথম উদ্যোগ নেওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন। কিন্তু আমাদের অবশ্যই ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হতে হবে। পরিশ্রম ও সাহসই তোমাকে আশাবাদী করতে সহায়ক হবে।

বাংলাদেশের তরুণ নারীদের নিয়ে তোমার কী বক্তব্য?

সাবিরুল: বাংলাদেশের সব তরুণ নারীর উদ্দেশে আমি বলতে চাই, বাবা-মায়ের চাপ উপেক্ষা করে নিজের পড়াশোনা, ক্যারিয়ার ও বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা অনেক সাহসের কাজ। কিন্তু এতে অন্যায়ের কিছু নেই, কারণ এতে করে তুমি নিজের ভবিষ্যতের জন্য লড়ছ। তুমি নিজের স্বপ্নপূরণের কথা ভাবছ—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যেসব মেয়ে এই সাহস দেখাতে পেরেছে, আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। তোমরাই হবে বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়নের আদর্শ মডেল।

‘ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়ন’-এর পর তোমার পরিকল্পনা কী?

সাবিরুল: যেসব দেশে আমি ভ্রমণ করি, সেসব দেশে আমার টিম কাজ করছে। ‘ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়ন’ একটি চলমান আন্দোলন। দক্ষিণ আফ্রিকায় আমার টিভি সিরিজ চালু আছে এবং আমার বোর্ড গেম বিশ্বের ১৪টি দেশে বিক্রি হচ্ছে। যেসব দেশে আমি ভ্রমণ করি, সেখানে আমার লেখা বইয়ের অনুবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। আমি মনে করি, বেঁচে থাকা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে জীবনটাকে উপভোগ করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি ভ্রমণ করতে ভালোবাসি। কিন্তু আমি মাত্র ২৬টি দেশে ভ্রমণ করেছি, যেটা গোটা পৃথিবীর মাত্র ১০ শতাংশ। সুতরাং আমি যদি সত্যি পৃথিবীতে পরিবর্তন আনতে চাই, আমাকে আরও অনেক ভ্রমণ করতে হবে।

বাংলাদেশের তরুণদের উদ্যোক্তা হতে তুমি কি বিশেষ কোনো উদ্যোগ নিতে চাও?

সাবিরুল: ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়নের পরে আমি বাংলাদেশে আরও অনেক কাজ করার স্বপ্ন দেখি। কিন্তু এতে সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার প্রয়োজন হবে। আমি আশাবাদী, এর সবকিছুই আমরা পাব।

আমি বাংলাদেশে আমার ‘টিন-ট্রাপেনার গেম’-এর স্থানীয় সংস্করণ বের করতে চাই। দেশের প্রতিটি স্কুলে আমি এটা ছড়িয়ে দিতে চাই, যাতে করে খুদে শিক্ষার্থীরা খেলার ছলেই ব্যবসা ও অর্থনীতির ধারণাগুলো বুঝতে পারে।

বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমি আমার বই এ দেশে প্রকাশ করতে চাই, যাতে করে প্রতিটি দোকানেই আমার বই তাঁরা পেতে পারেন। আমি এমন একটি ফাউন্ডেশন স্থাপন করতে চাই, যেখানে তরুণ উদ্যোক্তারা তাঁদের ব্যবসায় প্রয়োজনীয় সহায়তা ও নির্দেশনা পেতে পারেন। সবশেষে আমি বাংলাদেশে আমার টিভি সিরিজ সম্প্রচার করতে চাই।

যেসব স্বপ্নের কথা আমি এতক্ষণ বললাম, সেগুলো আসলে অনেক বড়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, স্বপ্নবান তরুণেরা, যাঁরা বাংলাদেশকে পরিবর্তনের কথা ভাবে, তাদের নিয়ে আমি আমার প্রতিটি স্বপ্নই পূরণ করতে পারব।

Source: www.prothom-alo.com

[x]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *