সরকারী চাকুরীজীবিদের জন্য আবারো নতুন ঘোষণা

সরকারি চাকরিজীবীদের ঢাকায় আবাসন সমস্যা দূর করতে যাত্রাবাড়ীর পাশেই ফ্ল্যাট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যেই এ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এ আবাসন প্রকল্পসহ মোট ৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিফ্রিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব তারিক উল ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম। বিফ্রিংয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের সভায় মোট ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ১৪৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮১৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ২৪০ কোটি টাকা।’ পরিকল্পনামন্ত্রী আরো জানান, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আটটি ১৫ তলা ভবনে ৬৭২টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার। এতে ফ্ল্যাটগুলোতে বসবাসকারী সরকারি চাকরিজীবীরা অতি অল্প সময়েই ঢাকায় নিয়মিত অফিস করতে পারবে। এজন্য ৩৯৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আটটি ১৫ তলা ভবনে ৬৭২টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। সভায় মোট ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসিক সমস্যা অনেক প্রকট। এই সমস্যা সমাধানের জন্য ‘নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আটটি ১৫ তলা ভবনে ৬৭২টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩৯৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। গণপূর্ত অধিদপ্তর জানুয়ারি ২০১৬ থেকে জুন ২০১৯ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলে সরকারি চাকরিজীবীদের অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে। পাশাপাশি তাদের কর্মদক্ষতা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আজকের একনেক সভায় অন্য অনুমোদিত প্রকল্প হলো- ৩২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘উত্তরাঞ্চলের দারিদ্র্য বিমোচন উদ্যোগ’ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প। ‘রাজশাহী বিসিক শিল্প নগরী সম্প্রসারণ’ প্রকল্পটিতে ব্যয় হবে ১২৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ৫৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘জলাভূমি তালিকা ও স্থায়িত্বশীল জলাভূমি ব্যবস্থাপনার ফ্রেমওয়ার্ক উন্নয়নসহ হাওয়ার ও নদীর ইকোসিস্টেমের আন্তসম্পর্ক বিষয়ক সমীক্ষা’ প্রকল্প। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ‘বৃহত্তর যশোর জেলার মৎস্য উন্নয়ন’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৩৪ কোটি ১২ লাখ টাকা। এ ছাড়া ২৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা বয়ে ‘মেঘনা নদীর ভাঙ্গন হতে ভোলা জেলার সদর উপজেলাধীন রাজাপুর ও পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন রক্ষার্থে তীর সংরক্ষণ’ প্রকল্প।

[x]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *