সকল সরকারি চাকরিজীবীরা বাড়ি পাবেন

২০১৯ সালের মধ্যে শতভাগ সরকারি কর্মকর্তা—কর্মচারিরা থাকার জন্য বাড়ি পাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি দেশের সব মানুষের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তিনি দেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে রাজউক ও রিহ্যাব সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী রোববার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সেন্টার ফর কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক (সিসিএন) আয়োজিত জাতীয় অর্থনীতিতে আবাসন খাত শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সিসিএন-্এর নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পন প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম, এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ এবং রাজউক এর সাবেক প্রধান প্রকৌশলী এমদাদুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনৈতিক বিশ্নেষক সাংবাদিক জাহিদুজ্জামান ফারুক।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে আবাসন খাতের ভুমিকা অপরিহার্য। দেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। শিল্প বিকাশ ও কর্মসংস্থানে আবাসন খাতের অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও ভারতসহ বেশ কিছু দেশে জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে আবাসন খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ইকুইটি মার্কেট থেকে ভারতে আবাসন খাতের বিনিয়োগকারিরা প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার পূঁজি সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশেও আবাসন খাতের বিকাশে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারেন। বাংলাদেশে এ খাতের বিকাশে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করা অপরিহার্য।

২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় অর্থনীতিতে আবাসন খাতের প্রবৃদ্ধিও তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রতিনিয়ত নীতিমালা পরিবর্তন না করে দীর্ঘমেয়াদী নীতিমালা এ খাতের বিকাশে সুফল বয়ে আনবে। পাশাপাশি আবাসন খাতে বিনিয়োগকারিদের কারো কারো কারণে গোটা সেক্টরের সুনাম যাতে নষ্ট না হয় সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে মনোযোগি হতে মন্ত্রী পরামর্শ দেন।

[x]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *